অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে পরিচিত হন, ফাঁদে না পড়ে
অন্য দেশের কারও সঙ্গে পরিচয় সুন্দর অভিজ্ঞতা, আবার প্রতারকদের প্রিয় জমিও। যে অভ্যাসগুলো আপনাকে বাঁচায়।
বিপদের লক্ষণ
প্রতারণার প্রোফাইলে প্রায় সবসময় এর এক বা একাধিক লক্ষণ দেখা যায়:
- খুব তাড়াতাড়ি অ্যাপ ছেড়ে অন্য মেসেঞ্জারে যেতে বলে।
- কয়েক দিনের মধ্যেই ভালোবাসার ঘোষণা চলে আসে।
- ছবিগুলো অতিরিক্ত নিখুঁত, বা ভিডিও কল এড়িয়ে যাওয়া হয়।
- জরুরি অবস্থা (অসুখ, শুল্ক দপ্তর, বিমানের টিকিট) এসে টাকা, গিফট কার্ড বা ক্রিপ্টোর দাবিতে গড়ায়।
- এক বার্তা থেকে আরেক বার্তায় গল্প বদলে যায়।
যে নিয়ম বেশির ভাগ বিপদ থেকে রক্ষা করে
যার সঙ্গে সামনাসামনি দেখা হয়নি, তাকে কখনো টাকা, গিফট কার্ড বা ব্যাংকের কোড পাঠাবেন না। কোনো ব্যতিক্রম নেই, কারণ যতই আবেগঘন হোক আর যে ভাষাতেই বলা হোক।
OTP, কার্ড নম্বর আর অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড কাউকে দেবেন না। আসল বন্ধু বা সঙ্গী এগুলো কখনো চায় না।
জড়িয়ে পড়ার আগে যাচাই করুন
প্রথম কয়েক দিনেই ভিডিও কল চান। আসল মানুষ রাজি হয়। তার ছবির রিভার্স ইমেজ সার্চ করুন। দেখুন তার গল্প দিন দিন মিলছে কি না। অনুবাদ অসঙ্গতি ঢেকে দিতে পারে, তাই কিছু অদ্ভুত লাগলে মূল লেখাও পড়ুন।
প্রথম দেখা
- কোনো প্রকাশ্য ও জনবহুল জায়গা বেছে নিন।
- কাছের কাউকে জানিয়ে রাখুন: কোথায়, কখন, কার সঙ্গে।
- যাতায়াতের ব্যবস্থা নিজের হাতে রাখুন।
- ভাষার ঘাটতি থাকলে বোঝার ব্যবস্থা রাখুন। অ্যাপ দেখার আগে ও পরের বার্তা অনুবাদ করে দেয়।
আপনার সুরক্ষায় oKiKo কী করে
oKiKo-র Rencontres-এ কোনো প্রোফাইল তখনই দেখা যায় যখন সেই মানুষ নিজে তা চালু করেছেন। নম্বর বিনিময় হয় কেবল দুজনেই চাইলে, আর কথোপকথন অ্যাপের ভেতরেই থাকে। সেলফি দিয়ে যাচাই হয়, যা মানুষ মিলিয়ে দেখে, তারপর ব্যাজ মেলে। দেখা করার খবর কাছের কাউকে জানানোর একটি বোতাম আছে। রিপোর্ট ও ব্লক করা সবসময় সম্ভব।
কোনো টুলই ঝুঁকি পুরোপুরি দূর করে না। আপনার সতর্কতাই সবচেয়ে ভালো সুরক্ষা।