যে WhatsApp গ্রুপে একাধিক ভাষায় কথা হয়
চল্লিশজন আর পাঁচটি ভাষার গ্রুপে প্রতিটি বার্তাই ধাঁধা হয়ে যায়। কথার সুতো ধরে রাখার কয়েকটি উপায়।
বহুভাষিক গ্রুপের সমস্যা
আন্তর্জাতিক গ্রুপের সামনে দুটি পথ: একটি সাধারণ ভাষা ঠিক করে দেওয়া, অথবা প্রত্যেককে নিজের ভাষায় লিখতে দেওয়া। প্রথমটিতে যারা ওই ভাষা কম জানে তারা বাদ পড়ে। দ্বিতীয়টিতে কেউ কারও কথা বোঝে না।
সবচেয়ে বেশি দেখা যায় পারিবারিক গ্রুপে। দাদু-দিদা বা দাদা-দাদি নিজেদের পুরোনো ভাষায় লেখেন, আর নাতি-নাতনিরা যে দেশে বড় হয়েছে সেই দেশের ভাষায় উত্তর দেয়। ফল হলো মাঝখানের অনেক বার্তা আধখানা বোঝা থেকে যায়।
তিনটি অভ্যাস যা কাজে দেয়
- জরুরি ঘোষণার জন্য একটি ভাষা ঠিক করে নিন, বাকি আলাপ সবার জন্য খোলা রাখুন।
- ছোট বার্তা লিখুন, এক বার্তায় এক কথা। এমন বাক্য বোঝা ও অনুবাদ করা সহজ।
- কাজের তথ্য, যেমন তারিখ, জায়গা ও সময়, বাক্যের ভেতরে লুকিয়ে না রেখে আলাদা করে সংখ্যায় লিখুন।
কোন বার্তা অনুবাদে আটকে যায়
রসিকতা, প্রবাদ আর ঘরোয়া বুলি সবচেয়ে বেশি বিগড়ে যায়। গ্রুপে যদি বাংলিশের মতো মেশানো ভাষা চলে, যন্ত্রের পক্ষে সেটা আরও কঠিন। তখন পুরো বাক্য লেখা বা একটি ইমোজি জুড়ে দিলে ভাবটা পরিষ্কার হয়।
বড় গ্রুপে একজনকে “সারাংশ দেওয়ার লোক” করে দেওয়াও চলে, যিনি মাঝেমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো এক-দুই লাইনে লিখে দেন।
গ্রুপ অ্যাডমিনের জন্য পরামর্শ
গ্রুপের বিবরণে লিখে দিন যে সদস্যরা যেকোনো ভাষায় লিখতে পারেন এবং সবাই একে অপরকে ধৈর্য নিয়ে পড়বেন। এতে নতুন সদস্যরা সংকোচ ছেড়ে লিখতে পারেন।
বড় ঘোষণা, যেমন বিয়ের তারিখ বা সভার সময়, পিন করে দিন এবং দুই ভাষায় লিখুন। পরে যে কেউ সহজে আবার খুঁজে পাবে।
Okiko-র সঙ্গে
Okiko অ্যাপে আপনার গ্রুপগুলো বাকি চ্যাটের মতোই থাকে। অন্য ভাষায় লেখা বার্তা ও ক্যাপশন আপনার ভাষায় অনূদিত হয়ে আসে, আর মূল লেখা এক ট্যাপ দূরে থাকে। আপনি নিজের ভাষায় উত্তর লেখেন, তা চ্যাটের ভাষায় যায়।
যারা আপনার ভাষায় কথা বলে, তাদের কাছে আপনার লেখা ঠিক যেমন লিখেছেন তেমনই থাকে। Okiko অন্য সদস্যদের কথোপকথনে কোনো পরিবর্তন করে না।